পুষ্টিগুণের শীর্ষে কোন কলা….জেনে নিন

প্রাচীণ যুগ থেকে পেটের অসুখে উপকার পাওয়া ছাড়াও কাঁচা কলার পুষ্টিগুণা গুণ অনেক। আলসার, সংক্রমণ, ডায়রিয়া এমনকি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের পথ্য হিসেবে কাঁচা কলার ব্যবহার প্রচলিত। তাছাড়া মজাদার খাবার তৈরিতেও কাঁচা কলা ব্যবহার করা হয়।

খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন বলছে,

পুষ্টি গুণ: কাঁচা কলায় বেশি মাত্রায় স্টার্চ বা শ্বেতসার, ‘শর্ট-চেইন’ ফ্যাটি অ্যাসিড ও নানান ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান থাকে। এতে পটাশিয়াম, খাদ্য আঁশ ও সামান্য প্রোটিনও আছে। মাঝারি মাপের কাঁচা কলা থেকে ৮১ ক্যালরি পাওয়া যায়।

হজমে সহায়তা: উচ্চ মাত্রায় স্টার্চ ও খাদ্যআঁশ থাকায় কাঁচা কলা হজমে সহায়তা করে এবং পেটের সমস্যায় খুব ভালো কাজ করে। এটা ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: কাঁচা কলায় আছে উচ্চ মাত্রার পটাশিয়াম যা রক্তনালী ও ধমনীর চাপ কমিয়ে উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। ফলে প্লাক জমে ধমনী সরু হয়ে যাওয়া, হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।

ওজন কমায়: খাদ্যতালিকায় কাঁচা কলা যোগ করুন। এতে থাকা শ্বেতসার ক্ষুধার অনুভূতি কমায় ও পেট ভরা রাখে। এভাবে এটা খাবারের চাহিদা কমিয়ে প্রাকৃতিকভাবে ওজন কমাতে সাহায্য করে।

রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ: কাঁচা কলার ভিটামিন বি-সিক্স রক্তের গ্লুকোজ বিশেষ করে টাইপ-টু ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এটা রক্তে ইন্সুলিন নিঃসরণে সহায়তা করে এবং উচ্চ আঁশ-জাতীয় হওয়ায় রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

বিপাক বাড়ায়: কাঁচা কলায় আছে অত্যাবশ্যকীয় খনিজ ও পুষ্টি উপাদান যা চর্বিকে শক্তিকে রূপান্তরিত করে। আর ভিটামিন বি সিক্স এনজাইম ভাঙতে শক্তি যোগায়। এই দুই কারণে বিপাক প্রক্রিয়া বাড়ে।

ডায়রিয়ার চিকিৎসায়: কাঁচা কলায় রয়েছে নানান খনিজ উপাদান যা ডায়রিয়া এবং এই রোগের লক্ষণসহ মাথাব্যথা এবং দুর্বলভাব দূর করে।

সর্বোপরি কাঁচা কলা থেকে উপকার পেতে সিদ্ধ করে খাওয়া ভালো।