‘নিজেকে কি মহেন্দ্র সিং ধোনি মনে করেন দীনেশ কার্তিক?’

গত বছরের মার্চে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে বাংলাদেশের বিপক্ষে শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে ভারতকে শিরোপা এনে দিয়েছিলেন দীনেশ কার্তিক। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচেও একই কাণ্ডের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে চেয়েছিলেন ভারতীয় এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান

২০১২ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে কমনওয়েলথ সিরিজে শেষ ওভারে সিঙ্গেল নেননি ধোনি, ফিরিয়ে দিয়েছিলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে। এরপর অবশ্য ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে নিয়ে জয়ের বন্দরে। সমর্থকরা এই ঘটনাটির সূত্র ধরেই বলছে, তবে কি নিজেকে ধোনি মনে করেছিলেন দীনেশ?

এই যেমন সামির নামের এক সমর্থক লিখেছেন, ‘দীনেশ কার্তিক নিজেকে ধোনি মনে করেছিলেন। আচ্ছা বুঝলাম। তাহলে ক্রুনাল পান্ডেকে কি রবিচন্দ্রন অশ্বিন ভেবেছিলেন?’

আশিষ নামের আরেকজন লিখেছেন, ‘ওই বলে সে সিঙ্গেল নিল না কেন? নিজেকে কি ধোনি মনে করে কার্তিক?’

অরোরা নামের আরেক ভারতীয় সমর্থক দীনেশকে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান খানের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘বোঝাই যাচ্ছে, সালমান খানের ভক্ত নয় দীনেশ। কেননা দীনেশ হিট অ্যান্ড রানে মোটেও বিশ্বাস করে না।’

আদিত্য নামের একজন লিখেছেন, ‘ভারতীয় দলে আর জায়গাই হওয়া উচিত না তার।’

দীনেশ কার্তিকের সমালোচনায় শামিল হয়েছেন সঞ্জয় মাঞ্জরেকার থেকে হার্শা ভোগলেও। তাদের ভাষ্য, তৃতীয় বলে সিঙ্গেলস নিলে ম্যাচের ফলাফল হয়তো বদলাতে পারত।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচেও একই কাণ্ডের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে চেয়েছিলেন ভারতীয় এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান

২০১২ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে কমনওয়েলথ সিরিজে শেষ ওভারে সিঙ্গেল নেননি ধোনি, ফিরিয়ে দিয়েছিলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে। এরপর অবশ্য ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে নিয়ে জয়ের বন্দরে। সমর্থকরা এই ঘটনাটির সূত্র ধরেই বলছে, তবে কি নিজেকে ধোনি মনে করেছিলেন দীনেশ?

এই যেমন সামির নামের এক সমর্থক লিখেছেন, ‘দীনেশ কার্তিক নিজেকে ধোনি মনে করেছিলেন। আচ্ছা বুঝলাম। তাহলে ক্রুনাল পান্ডেকে কি রবিচন্দ্রন অশ্বিন ভেবেছিলেন?’

আশিষ নামের আরেকজন লিখেছেন, ‘ওই বলে সে সিঙ্গেল নিল না কেন? নিজেকে কি ধোনি মনে করে কার্তিক?’

অরোরা নামের আরেক ভারতীয় সমর্থক দীনেশকে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান খানের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘বোঝাই যাচ্ছে, সালমান খানের ভক্ত নয় দীনেশ। কেননা দীনেশ হিট অ্যান্ড রানে মোটেও বিশ্বাস করে না।’

আদিত্য নামের একজন লিখেছেন, ‘ভারতীয় দলে আর জায়গাই হওয়া উচিত না তার।’

দীনেশ কার্তিকের সমালোচনায় শামিল হয়েছেন সঞ্জয় মাঞ্জরেকার থেকে হার্শা ভোগলেও। তাদের ভাষ্য, তৃতীয় বলে সিঙ্গেলস নিলে ম্যাচের ফলাফল হয়তো বদলাতে পারত।

। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচেও একই কাণ্ডের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে চেয়েছিলেন ভারতীয় এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান

কিউই পেসার টিম সাউদির করা শেষ বলে অবশ্য দীনেশ ঠিকই ছক্কা হাঁকিয়েছেন। তবে ম্যাচটি ভারত হেরে যায় ৪ রানে। সিরিজ হারার দিনে শেষ ওভারে দীনেশের এমন ব্যাটিং রীতিমতো সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

ব্ল্যাক ক্যাপসদের বিপক্ষে শেষ ওভারে ভারতের প্রয়োজন ছিল ১৬ রানের। ক্রিজে ছিলেন দীনেশ ও ক্রুনাল পান্ডে। প্রথম বলে ২ রান নেন দীনেশ। দ্বিতীয় বলটি অফ স্টাম্পের বাইরে করেন সাউদি। স্কুপ করতে গিয়ে মিস করেন। ওভারের তৃতীয় বলটি মিড অফে মারেন দীনেশ। ক্রুনাল প্রায় অনেকটাই নন-স্ট্রাইকিং এন্ড থেকে বেরিয়ে পড়েন। কিন্তু রান নেননি দীনেশ। ফিরিয়ে দেন ক্রুনালকে।

তৃতীয় বলে রান না নিলেও চতুর্থ বলে সিঙ্গেল নিতে বাধ্য হন এই ভারতীয় ব্যাটসম্যান। পঞ্চম বলে ফের সিঙ্গেল নেন ক্রুনাল। এরপর ওয়াইড বল করেন সাউদি। শেষ বলে ছক্কা হাঁকান কার্তিক। ৪ রানে ম্যাচ হেরে যায় ভারত।

শেষ ওভারের তৃতীয় বলে সিঙ্গেল নিতে না চাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে তীব্র সমালোচনার শিকার হচ্ছেন দীনেশ। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, নিজেকে কি মহেন্দ্র সিং ধোনি মনে করছেন দীনেশ কার্তিক?

২০১২ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে কমনওয়েলথ সিরিজে শেষ ওভারে সিঙ্গেল নেননি ধোনি, ফিরিয়ে দিয়েছিলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে। এরপর অবশ্য ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে নিয়ে জয়ের বন্দরে। সমর্থকরা এই ঘটনাটির সূত্র ধরেই বলছে, তবে কি নিজেকে ধোনি মনে করেছিলেন দীনেশ?

এই যেমন সামির নামের এক সমর্থক লিখেছেন, ‘দীনেশ কার্তিক নিজেকে ধোনি মনে করেছিলেন। আচ্ছা বুঝলাম। তাহলে ক্রুনাল পান্ডেকে কি রবিচন্দ্রন অশ্বিন ভেবেছিলেন?’

আশিষ নামের আরেকজন লিখেছেন, ‘ওই বলে সে সিঙ্গেল নিল না কেন? নিজেকে কি ধোনি মনে করে কার্তিক?’

অরোরা নামের আরেক ভারতীয় সমর্থক দীনেশকে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান খানের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘বোঝাই যাচ্ছে, সালমান খানের ভক্ত নয় দীনেশ। কেননা দীনেশ হিট অ্যান্ড রানে মোটেও বিশ্বাস করে না।’

আদিত্য নামের একজন লিখেছেন, ‘ভারতীয় দলে আর জায়গাই হওয়া উচিত না তার।’

দীনেশ কার্তিকের সমালোচনায় শামিল হয়েছেন সঞ্জয় মাঞ্জরেকার থেকে হার্শা ভোগলেও। তাদের ভাষ্য, তৃতীয় বলে সিঙ্গেলস নিলে ম্যাচের ফলাফল হয়তো বদলাতে পারত।