রাইস অয়েল এর গুরুত্ব অথবা ধানের তুষের তেলের গুরুত্ব

খাবারের স্বাদ বাড়াতে প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ বিভিন্ন রকমের ভোজ্য তেল ব্যবহার করে আসছে। কিন্তু খাবারে অতিমাত্রায় ভোজ্যতেলের ব্যবহার রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। উচ্চ রক্তচাপ, হৃদপিণ্ডের ক্ষতি ও লিভারে সংক্রমণ ঘটানোর মূলেও ভূমিকা থাকে ভোজ্যতেলের। এসব তেলে ভালো ও মন্দ দুই ধরনেরই প্রভাব থাকে। সেজন্য নিজেদের সুস্থতা ধরে রাখতে খাবারে তেলের ব্যবহার কিছুটা কমানো সম্ভব, কিন্তু একেবারেই ব্যবহার বাদ দেয়া যায় কি? আর তাই ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের প্রভাব থেকেই যায়। এই ক্ষতির হাত থেকে বাঁচতে খাবার তেল হওয়া চাই ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল মুক্ত ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। চালের কুড়ার তেল এমনই একটি ভোজ্যতেল। খাবারের স্বাদ ঠিক রাখতে নিশ্চিন্তে এই তেল ব্যবহার করা যায়। চালের কুড়ার তেলে রয়েছে আরও অনেক উপকারী গুণ। নিচে তুলে ধরা হল।
* শারীরিক রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সমৃদ্ধ করতে সক্ষম চালের কুড়ার তেল খুবই কার্যকর।
* হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা বাড়ানো ও হৃদরোগ প্রতিরোধে এর কার্যকারিতার জন্য চালের কুড়ার তেলকে হার্ট ওয়েল হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
* এতে আছে প্রাকৃতিক গুন সম্পন্ন ভিটামিন-ই। এ ধরনের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট দেহের ফ্রি র‌্যাডিকেল দ্বারা ক্ষতি প্রতিরোধ করে এবং ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে।
* চালের কুড়ার তেল বা রাইস ব্রান অয়েল প্রাকৃতিক ভিটামিন ও খনিজ উপাদানে সমৃদ্ধ এবং শতভাগ কোলেস্টেরলমুক্ত।
* এই তেলে ভিটামিন এ, ডি, ই ও ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড আছে। আমাদের দেহের হাড়, দাঁত ও চোখের জন্য খুবই উপকারী।
* এই তেল রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।
* চালের কুড়ার তেল রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি ও স্বাভাবিক করে। রক্তচাপ কমাতে ও ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই তেলের জুড়ি নেই।
* এতে এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান আছে যা চর্মরোগ প্রতিরোধ করে এবং চর্মের মসৃণতা ও উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
* মনোপোজে যাওয়া নারীদের স্বাস্থ্য রক্ষায় এই তেল দারুণ ভূমিকা পালন করে। মনোপোজ পরবর্তী নারীদের নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার হাত থেকে বাঁচায়।