বার বার ক্ষুধাভাব অনুভূত হলে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করবেন যেসব পদ্ধতিতে, দেখেনিন

সুস্থ থাকার জন্য খাবার খাওয়া খুবই জরুরি। এছাড়া খাবার আমাদের দেহে শক্তি যোগায়। যা আমাদের কর্মক্ষম রাখে। তাইতো বলা হয়, কাজ করার প্রয়োজনীয় সব শক্তির মূল উৎস খাবার। তবে সেই খাবার অবশ্যই পুষ্টিকর ও পরিমিত হতে হবে।
জানেন কি, আমাদের মধ্যে অনেকেই এমন আছেন, যারা খাবার খাওয়ার পরও কিছু সময় পর আবার ক্ষুধা অনুভব করেন। এক্ষেত্রে ক্ষুধা লাগুক আর নাই লাগুক তারপরও ক্ষুধাভাব থাকলে বিষয়টি শরীরের জন্য মোটেও ভালো নয়। কারণ এমন অভ্যাসের জন্য অনেকেরই অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে স্বাস্থ্য বেড়ে যায়। এছাড়াও অনেকের বিভিন্ন রোগও সৃষ্টি হয়।

এটি মূলত হরমোন জনিত সমস্যা এবং অন্যান্য কিছু রোগের লক্ষণ। দুশ্চিন্তায় ভোগার কারণে, অতিরিক্ত মিষ্টিজাতীয় খাবার, চিপস, আইসক্রিম, চকলেট জাতীয় খাবার খাওয়া থেকে এ ক্ষুধাভাবের সৃষ্টি হয়ে থাকে। এসব খাবার মূলত শরীরের পক্ষে ভালো নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সবসময় ক্ষুধাভাব থাকার জন্য সামনে যা পেলাম আর তাই খেয়ে নিলাম এই অভ্যাস ভালো নয়। এর ফলে শরীরে মেদ বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি সারাদিন ঘুমভাব বা অবসাদের সৃষ্টি হয়। যা শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যকে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত করে। এ জন্য একবারে অনেকগুলো খাবার না খেয়ে দিনে দু-তিনবার স্বাস্থ্যকর খাবার খান। তবে ক্ষুধা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে খাবার খাবেন না। এতে পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার খাওয়া যায় না। অন্তত ১০ থেকে ২০ মিনিট পর খাবার খাবেন।

এছাড়াও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাবার খেতে বসে কোনো প্রতিযোগিতা নয়। ধীরে ধীরে খাবারগুলো চিবিয়ে চিবিয়ে খাওয়া উচিত। দ্রুত খাবার খাওয়ার ফলে খাবারগুলো ঠিকমতো হজম হয় না। এ কারণে অনেক সময় রক্তে সমস্যা দেখা দেয়। কিছুক্ষণ পর আবার ক্ষুধা পায়।

খাবার খাওয়ার অন্তত ২০ মিনিট পর জল খাওয়া উচিত। এতে হজম প্রক্রিয়া ভালো হয়। এছাড়া স্ন্যাকসের নামে অস্বাস্থ্যকর কোনো খাবার খাওয়া যাবে না। স্বাস্থ্যকর খাবার অল্প পরিমাণ খেয়ে নিন। সকালে বাইরে খাবার না করে ফলমূল দিয়ে বাসা-বাড়িতে খাবার করুন এবং বাইরের কিছু খেতে মন চাইলে বাসাতেই তৈরি করে খাবেন। এতে মন ও শরীর দুটোই ভালো থাকবে।

প্রয়োজন ছাড়া রাত না জেগে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়া এবং ভোরে ঘুম থেকে উঠার অভ্যাস গড়ে তোলার চেষ্টা করুন। সম্ভব হলে একটু সবুজ ঘাস ও মাটির ওপর দিয়ে হাঁটাহাঁটি করুন। দিনের প্রথম প্রহরে শরীরে প্রকৃতির ছোঁয়ায় সারাদিন অনেক ফুরফুরে মেজাজে কাটবে। এছাড়াও সকালের মুক্ত বাতাস স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এভাবে দেখবেন অহেতুক কারণে ক্ষুধাভাব জাগবে না এবং নিজেকে সুস্থ রাখতে পারবেন।bs

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© 2022 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy