সারাদিন বসে কাজ করে কোমর-পিঠে ব্যথা, তাহলে জেনেনিন বিস্তারিত

কাজের সময়সীমা এবং চাপ দুটোই বেড়েছে। কিন্তু এই লম্বা সময় বসে থেকে কাজ করার ফলে নানান ধরনের অসুখ দেখা দিচ্ছে। বিশেষ করে কোমর-পিঠ ও ঘাড়ের ব্যথা।

বিভিন্ন গবেষণাতেও দেখা গেছে, এক টানা কম্পিউটারের পর্দায় চোখ রাখার কারণে ঘাড়, পিঠ, কোমর ও শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্যথা হয়। আর এসব ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে প্রায়ই ব্যথার ওষুধ খাচ্ছেন অনেকেই। অথচ এগুলো কিন্তু শরীরের পক্ষে মোটেই ভালো নয়। ওষুধ ছাড়াও ব্যথা কমানোর অন্য একটি উপায় রয়েছে, তা হলো শ্বাসের ব্যায়াম করা।

জেনে নিন কী কী ধরণের শ্বাসের ব্যায়াম করলে ব্যথা থেকে মুক্তি মিলবে-

ইকুয়াল ব্রিদিং
এই ব্যায়ামকে সমবৃত্তি শ্বাস কৌশলও বলা হয়। একটি শান্ত পরিবেশে এক পায়ের উপর আর এক পা রেখে আরাম করে বসুন। এবার চোখ বন্ধ করুন। এবার ধীরে ধীরে নাক দিয়ে ৪ মিনিট শ্বাস নিন। শ্বাসটা কয়েক সেকেন্ড বুকে রাখুন। এবার আবার ৪ মিনিট ধরে আস্তে আস্তে শ্বাস ছাড়ুন। এই শ্বাসের ব্যায়াম ৫-১০ বার করুন।

বেলি ব্রিদিং
এই ব্যায়ামকে ডায়াফ্র্যাগম্যাটিক শ্বাস কৌশলও বলা হয়। এই ব্যায়ামের ফলে পেশি শিথিল হয়, ফলে ব্যথাও কমে। এমনকি অবসাদ ও উদ্বেগ কমাতেও সহায়তা করে এই ব্যায়াম। মেঝেতে পিঠ রেখে সোজা হয়ে শুয়ে পড়ুন।

এবার একটি হাত নাভির উপর ও অন্য হাতটি বুকের উপর রাখুন। নাক দিয়ে ২ সেকেন্ড শ্বাস নিন। পাকস্থলি পেরিয়ে পেটের তলদেশে বাতাস যাওয়া অনুভব করুন। এবার ঠোঁট গোল করে ২ সেকেন্ডে পাকস্থলির পেশির সাহায্যে পুরো বাতাস বার করে দিন।

রিল্যাক্সিং ব্রিদিং
একে ৪-৭-৮ শ্বাসের কৌশলও বলা হয়। এই ব্যায়ামের ফলে শরীরের বিভিন্ন অংশের মাংসপেশি শিথিল হয়। এক জায়গায় আরাম করে বসুন। হাতদুটো তলপেটের কাছে রাখুন।

এবার নাক দিয়ে ৪ সেকেন্ড শ্বাস নিয়ে শ্বাসটি ৭ সেকেন্ড ধরে রাখুন। এরপর আস্তে আস্তে মুখ দিয়ে ৮ সেকেন্ড সময় ধরে শ্বাস ছাড়ুন। এই শ্বাসের ব্যায়ামে ব্যথা তো কমেই, সেই সঙ্গে মানসিক চাপ কমে এবং ঘুমও ভালো হয়।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© 2022 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy