স্বাস্থ্যকর এই ৫টি অভ্যাস বাড়াতে পারে আপনার পেটের মেদ, জেনেনিন বিস্তারিত

দ্রুত ওজন কমাতে এবং স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সাহায্য করতে পারে এমন অনেক কৌশল সম্পর্কে আমরা জানি। যদিও আমাদের মধ্যে অনেকেই কিছু নির্দিষ্ট খাদ্য বাদ দিয়ে দেয়, যা বিপাককে ধীর করার জন্য পরিচিত, আমরা অনেকেই বসে বসে জল পান করি যাতে পেটে চর্বি না জমে। ইন্টারনেটে ওজন কমানো সংক্রান্ত নানা টিপস ভেসে বেড়ায়, তার মধ্যে সবগুলোই কি কার্যকরী? আজ জেনে নিন এমন পাঁচটি ‘আপাতদৃষ্টিতে স্বাস্থ্যকর’ অভ্যাস সম্পর্কে, যা আপনার পেটের মেদ আরও বাড়িয়ে দেয়-

প্রতিদিন কাজ করা

এটা প্রায়ই বলা হয় যে, অতিরিক্ত কোনোকিছুই ভালো নয়। আপনার শরীরকে বিশ্রাম এবং পুনরায় কাজের উপযোগী হওয়ার জন্য সময় দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত ব্যায়াম করা একটি ভালো জিনিস এবং ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। তবে প্রতিদিন কাজ করলে তা ব্যায়াম করার সময় শরীরে যে ক্ষয়-ক্ষতি হয় তা ঠিক করার জন্য কোনো সময়ই দেয় না। শরীরের পুনরুদ্ধার এবং দক্ষতার সাথে কাজ করার জন্য আপনি সপ্তাহে এক বা দুই দিন কাজ থেকে বিরতি নিন।

ব্যায়ামের কারণে পর্যাপ্ত ঘুম না হলে

সকালের ব্যায়াম গুরুত্বপূর্ণ কারণ এসময় এগুলো বেশি কাজ করে। সকালে ব্যায়াম করলে তা বিপাক ক্রিয়াকে সন্ধ্যার ব্যায়ামের চেয়ে অনেক ভালো উপায়ে বাড়িয়ে দেয় এবং আপনার দিনটিকে একটি দুর্দান্ত সূচনাও দিতে পারে। কিন্তু আপনি যদি আপনার সকালের ব্যায়ামকে নিশ্চিত করার জন্য ন্যূনতম সাত ঘণ্টাও না ঘুমান, তাহলে লাভের বদলে ক্ষতিই হবে বেশি। ঘুমের অভাব ওজন বৃদ্ধির জন্য দায়ী কারণ তাতে শরীরের ঘড়ি এবং শরীরের কার্যকারিতায় ব্যাঘাত ঘটে।

অতিরিক্ত ঘুম

যদিও খুব কম ঘুম স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, তবে খুব বেশি ঘুমও ভালো নয়। আট ঘণ্টার বেশি ঘুম হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এমনকী স্থূলতার ঝুঁকিও বাড়িয়ে তুলতে পারে। প্রতিদিন সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুম শরীরের জন্য যথেষ্ট এবং এর বেশি হওয়া উচিত নয়। এটি বিপাককেও প্রভাবিত করে এবং বিরূপ প্রভাব ফেলে।

ডিমের কুসুম না খাওয়া

ডায়েটে প্রোটিন যোগ করাকে ওজন কমানোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করা হয়। ওজন কমানোর জন্য আপনার ডায়েটে বেশি প্রোটিন এবং কম ফ্যাট থাকা অত্যাবশ্যক। ডিমকে প্রোটিনের অন্যতম সমৃদ্ধ উত্স হিসাবে বিবেচনা করা হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ডিমে থাকা চর্বি থেকে মুক্তি পেতে কুসুম বাদ দিয়ে খাওয়া হয়। তবে এটি কুসুমে উপস্থিত ভিটামিন এবং কোলিনে থেকেও বঞ্চিত করে। শরীরে ভিটামিন ডি-এর অভাব ওজন বৃদ্ধির সঙ্গে যুক্ত।

কম চর্বি এবং চিনিযুক্ত খাবার গ্রহণ করা

যারা ডায়েটে থাকে তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শর্করাযুক্ত খাবারের আকাঙ্ক্ষা করে যা তাদের খাদ্যের অংশ হিসাবে নিষিদ্ধ। ক্যালোরি বাদ দিয়ে স্বাদের জন্য তারা কম চর্বিযুক্ত এবং ‘নো অ্যাডেড সুগার’ খাবার বেছে নেয়। যদিও এগুলো স্বাস্থ্যকর, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। কিন্তু অনেক সময় এই খাবারগুলোতে প্রিজারভেটিভ এবং কৃত্রিম মিষ্টি থাকতে পারে যা ওজন কমানোর প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করতে পারে।bs

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© 2022 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy