যে জিনিসগুলো কখনোই সেকেন্ড হ্যান্ড কেনা উচিত নয়

সবকিছুরই দাম বাড়ছে হু হু করে। কিন্তু সে অনুযায়ী আয় বাড়ছে না। খরচ কমানোর উদ্দেশ্যে অনেকেই সেকেন্ডহ্যান্ড জিনিস কিনে থাকেন। কিন্তু কিছু কিছু জিনিস আছে যা সস্তায় পেলেও সেকেন্ডহ্যান্ড কেনা উচিত নয়। দেখে নিন কী সেসব জিনিস-

১) টেলিভিশন

আগের ব্যবহারকারী টিভি, ডিভিডি প্লেয়ার বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসের যত্ন নিয়েছেন কিনা তা বোঝার কোনো উপায় নেই। বাইরে থেকে দেখতে ঠিকঠাক মনে হলেও তা বিগড়ে যেতে পারে। আর একবার নষ্ট হয়ে গেলে প্লাজমা টিভি সারানোর যে খরচ, তাতে নতুন একটি টিভি কিনে ফেলা যায়। তাই একটু দেরিতে হলেও টাকা জমিয়ে নতুন টিভি কিনুন।

২) জুতো

জুতো কেনার পর তা ব্যবহার করতে করতে ব্যবহারকারীর পায়ের সাথে তা মানিয়ে যায়। অন্য কারও ব্যবহার করা জুতো আপনার পায়ে ফিট হবে না। ফিট না হওয়ার কারণে স্বাস্থ্যগত সমস্যা হতে পারে। বিশেষ করে দৌড়ানো বা ব্যায়ামের জুতো সেকেন্ড হ্যান্ড না কেনাই ভালো।

৩) পারফিউম ও প্রসাধনী

শুনে অবাক হতে পারেন, পারফিউমেরও একটি মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখ আছে। মেয়াদোত্তীর্ণ পারফিউম ব্যবহার না করে নতুন পারফিউম কিনুন। একই কথা লোশন ও মেকআপের জন্যেও প্রযোজ্য। আপনার মুখের ত্বকে অবশ্যই অন্য কারও ব্যবহৃত প্রসাধনী দেবেন না। এতে ত্বকের বড় ধরণের সমস্যা হতে পারে।

৪) অলংকার

অলংকার কমদামে কিনে ব্যবহার করাটা অনেকের কাছেই দারুণ মনে হতে পারে। কিন্তু আপনার কাছে খুবই খারাপ মানের অলংকার চলে আসতে পারে। শুধু তাই না, কিছু ইমিটেশন জুয়েলারিতে ক্ষতিকর উপাদান থাকতে পারে ও আপনার স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে।

৫) স্পিকার

সেকেন্ডহ্যান্ড স্পিকার কিনলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা আর নতুনের মতো কাজ করে না। বিশেষ করে আগের ব্যবহারকারী যদি ফুল ভলিউমে গান শুনতে পছন্দ করেন তাহলে তার অবস্থা খুবই খারাপ হতে পারে। এক নজরে দেখে এর ক্ষতির মাত্রা বোঝা নাও যেতে পারে। ব্যবহার করতে গেলে তখনই টের পাওয়া যায়।

৬) শিশুদের স্ট্রলার

পুরনো স্ট্রলার ভাঙা বা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তা বোঝা যায় না অনেকসময়। ব্যবহার করতে গিয়ে তা ভেঙে আপনার শিশু আহত হতে পারে। শিশুর নিরাপত্তার খাতিরেই নতুন স্ট্রলার কিনুন।

৭) ছাতা ও রেইনকোট

সময়ের সাথে সাথে রেইনকোট, ছাতা ও বুট আর জলনিরোধক থাকে না। ফলে সেকেন্ডহ্যান্ড এসব জিনিসের ভেতরে জল চুইয়ে প্রবেশ করতে পারে। তাই এগুলো নতুন কেনাই ভালো।

সূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট