স্লিম হতে চাইলে এই শর্টকাট পন্থাগুলি মেনে চলুনস্লিম হতে চাইলে এই শর্টকাট পন্থাগুলি মেনে চলুন

চাইলেই তো আর এক ঝটকায় স্লিম হওয়া যায় না। স্লিম হতে গেলে বেশ কয়েকটি নিয়ম মেনে চলতে হয়। যা ইচ্ছে তাই খাওয়া যায় না, যখন খুশি তখন ঘুম থেকে ওঠা যায় না। সব কিছুর মধ্যেই একটা নিয়ম-কানুন থাকে। তবে বললেই তো আর পছন্দের খাবার খাওয়া বন্ধ করা যায় না। আর মনে যাতে সায় না দেয় সেই কাজ করে কোনও লাভও হয় না। তাই এবার আর কোনও নিয়ম মেনে নয়, একটু অন্যভাবে হয়ে যান স্লিম।

> ডায়েট মানেই সেই একঘেয়েমি খাবার। হালকা, মশলা ছাড়া খাবার খাওয়া। ইচ্ছে করলেও তেল মশলার খাবার খেতে পারেন না। কিন্তু, মনকে কষ্ট দিয়ে কী আর ডায়েট করে রোগা হওয়া যায় ? মনের মধ্যে সব সময়ই টেস্টি খাবার খাওয়ার একটা প্রবণতা থাকে। তাই ডায়েট করলেও সপ্তাহান্তে একদিন মশলাদার খাবার খান। তাতে ঝালের পরিমাণ যেন অনেক বেশি থাকে। অতিরিক্ত ঝাল খাবার খাওয়ার ফলে শরীরের মেটাবলিক রেট বেড়ে যায়। যা শরীরের তাপমাত্রাও বাড়িয়ে স্লিম হতে সাহায্য করে। এছাড়া খাবার যদি ঝাল হয় তাহলে সেটা আমরা ধীরে ধীরে খাই। ফলে খুব তাড়াতাড়া আমাদের পেট ভরে যায়। তবে এই অতিরিক্ত মশলাদার ঝাল খাবার কিন্তু, রোজ খাবেন না। তাহলে পেটের বারোটা বাজা থেকে রক্ষা নেই।

> শেষ পাতে মিষ্টি না খেলে মন যেন ভরেই না। আর উৎসব বা অনুষ্ঠান হলে তো কোনও কথাই নেই। মিষ্টি ছাড়া যেন অনুষ্ঠান বাড়ি বৃথা হয়ে যায়। তাছাড়া কারণে অকারণে মিষ্টি খেতে অনেকেই পছন্দ করেন। কিন্তু, স্লিম হতে গেলে যে মিষ্টি খাওয়া বন্ধ করতে হবে। যখন ইচ্ছে তখনই মিষ্টি খেতে পারবেন না। তাই যখন মিষ্টি খেতে ইচ্ছে করবে তখন ভ্যানিলার গন্ধ নিন। এতে মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছে কিছুটা হলেও সংবরণ করতে পারবেন।

> যার সঙ্গে খাবার খান সেই মানুষটিই কিন্তু আপনার মোটা হওয়ার কারণ হতে পারে। আর সেটা পরিবারের কোনও সদস্যও হতে পারেন। কারণ আমরা মোটা হলাম কী রোগ তাতে পরিবারের সদস্যদের খুব একটা যায় আসে না। তাঁরা সব সময়ই চান আমরা যেন ভালো করে খাওয়া দাওয়া করি। একটু কম খেলেই সেটা তাঁদের নজরে পড়ে যায়। এটা শুধু পরিবারের সদস্যরাই করেন তা নয়। বন্ধুরাও অনেক সময় খেতে জোর করে। ফলে কার সঙ্গে খাচ্ছেন সেটা ভেবে দেখুন।